Always Ready

আপনার আপনজনের জন্য
নির্ভরযোগ্য যত্ন

"আপনি যখন কাজে ব্যস্ত বহুদূরে, আপনজন থাকুক আমাদের ছায়াঘিরে।"

সেবা সঙ্গী এর অর্থ

S E B A

  • S - Secure (নিরাপদ)
  • E - Emergency (জরুরী)
  • B - Backup (ব্যাকআপ)
  • A - Assistance (সহায়তা)

S A N G I

  • S - Support (সমর্থন)
  • A - Action (কর্মতৎপরতা)
  • N - Network (নেটওয়ার্ক)
  • G - Guardian (অভিভাবকত্ব)
  • I - Integration (সমন্বয়)
Care Team

আমাদের সম্পর্কে

Institutional Care Concierge & Emergency Proxy Network

আমরা বুঝি প্রবাসে বা দূরে কর্মব্যস্ত জীবনে প্রিয়জনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কতটা দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। "সেবা সঙ্গী" হলো আপনার সেই নির্ভরতার প্রতীক, যারা জরুরি মুহূর্তে আপনার পরিবারের পাশে ছায়ার মতো থাকে।

আপনার অনুপস্থিতে চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা, হাসপাতাল স্থানান্তর কিংবা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সব দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করি। এটি কেবল একটি সেবা নয়, বরং আপনার প্রিয়জনের জন্য এক বিশ্বস্ত অভিভাবকত্ব।

২৪/৭

জরুরী সাপোর্ট

১০০%

নির্ভরযোগ্যতা

আমাদের সেবাসমূহ

যেভাবে আমরা আপনার পাশে আছি

১. ইমার্জেন্সি প্রক্সি ও ট্রান্সফার

যেকোনো জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর এবং প্রক্সি অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন।

২. ডিজিটাল হেলথ কাস্টোডিয়ান

রোগীর যাবতীয় মেডিকেল রেকর্ডস, রিপোর্ট ও প্রেসক্রিপশন ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও সঠিক চিকিৎসকের কাছে উপস্থাপন।

৩. কেয়ার বাডি ও পোস্ট-অপারেটিভ সাপোর্ট

সার্জারি পরবর্তী যত্ন এবং নিঃসঙ্গতা দূর করতে সহানুভূতিশীল 'কেয়ার বাডি' দ্বারা নিয়মিত মানসিক ও শারীরিক সহায়তা।

৪. ভাইটাল-লিঙ্কড মেডিসিন প্যাক

সঠিক সময়ে সঠিক ওষুধ নিশ্চিত করতে ডাক্তার নির্দেশিত মেডিসিন প্যাক ম্যানেজমেন্ট ও হোম ডেলিভারি।

৫. ভাইটাল চেকআপ

Live Update Feature

নিয়মিত ব্লাড প্রেশার, সুগার সহ অন্যান্য ভাইটাল চেকআপ এবং প্রবাসে থাকা স্বজনদের কাছে WhatsApp/Messenger-এর মাধ্যমে রিয়েল-টাইম রিপোর্ট আপডেট।

সার্ভিস প্ল্যান

আপনার প্রয়োজনে সঠিক প্ল্যানটি বেছে নিন

ব্যক্তিগত সাবস্ক্রিপশন

B2C Subscription

কাস্টম প্রাইস
  • ইমার্জেন্সি সাপোর্ট
  • রেগুলার চেকআপ
  • হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট
Most Popular

কর্পোরেট প্যাকেজ

B2B Corporate

কাস্টম প্রাইস
  • কর্মীদের ফ্যামিলি কভারেজ
  • ডেডিকেটেড রিলেশনশিপ ম্যানেজার
  • প্রায়োরিটি অ্যাম্বুলেন্স এক্সেস

অপারেশনাল কমিশন

One-time Task Based

কাস্টম প্রাইস
  • নির্দিষ্ট টাস্ক অনুযায়ী ফি
  • ইনস্ট্যান্ট মেডিসিন প্যাক
  • সিঙ্গেল ভিজিট চেকআপ

আপনার আপনজনের জন্য আমরা প্রস্তুত

যেকোনো পরামর্শ বা সার্ভিসের জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

সুস্থতা


ভালো থাকুন

শিশুদের মাঝে বাড়ছে হামের প্রকোপ :লক্ষণ ও অভিভাবক হিসেবে আপনার করণীয়। 

===
সেবা সঙ্গী সদস্য
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------


ফাইল ছবি: হাম থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে সঠিক সময়ে এমএমআর (MMR) টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। | ছবি: ইন্টারনেট থেকে
__________________________________________________________________________________

দেশে ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শিশুদের মধ্যে একটি রোগ বেশ দ্রুত ছড়াচ্ছে—তা হলো 'হাম' (Measles)। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, বড়দের তুলনায় ছোটরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।  জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো ছোঁয়াচে রোগের ক্ষেত্রে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাই এই সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে, সঠিক তথ্য জানা এবং সচেতন থাকাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

অনেকেই সাধারণ জ্বর বা অ্যালার্জির সঙ্গে হামকে গুলিয়ে ফেলেন। চিকিৎসকদের মতে, আপনার শিশুর মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ দেখলে দ্রুত সতর্ক হতে হবে এবং অবহেলা না করে সঠিক পরিচর্যা শুরু করতে হবে।


হামের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী কী?

আপনার শিশুর মধ্যে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে:

  • তীব্র জ্বর ও সর্দি-কাশি: হঠাৎ তীব্র জ্বর আসা এবং সেই সঙ্গে অনবরত সর্দি-কাশি হওয়া।

  • চোখ লাল হওয়া: চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়া।

  • লালচে দানা বা র‍্যাশ: জ্বর শুরুর ৩-৪ দিন পর কান ও মুখের চারপাশ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ ওঠা।

  • শারীরিক দুর্বলতা ও অরুচি: শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং খাবারের প্রতি তীব্র অরুচি দেখা দেওয়া।


ছোটদের কেন বেশি হচ্ছে এবং সুরক্ষায় করণীয়

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের চেয়ে কম থাকে এবং স্কুলে বা খেলার মাঠে একে অপরের সংস্পর্শে আসার কারণে এটি দ্রুত ছড়ায়। শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে এবং আক্রান্ত হলে দ্রুত সুস্থ করে তুলতে আজই এই পদক্ষেপগুলো নিন:

১. এমএমআর (MMR) টিকা নিশ্চিত করা

হাম থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকর ও বৈজ্ঞানিক উপায় হলো সঠিক সময়ে 'এমএমআর' (MMR) টিকা দেওয়া। আপনার শিশুর নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এই টিকা সম্পূর্ণ হয়েছে কি না, তা পুনরায় যাচাই করুন।

২. আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা (আইসোলেশন)

ঘরের অন্য কোনো শিশুর সুরক্ষার স্বার্থে আক্রান্ত শিশুকে কয়েক দিন আলাদা ঘরে রাখুন। শিশুর ব্যবহৃত গামছা, তোয়ালে, প্লেট, গ্লাস ইত্যাদি আলাদা রাখুন এবং জীবাণুমুক্ত করুন।

৩. প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া

হাম হলে শিশুর শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই এই সময়ে শিশুকে প্রচুর পানি, ডাবের পানি, স্যুপ, ফালের রস এবং ঘরের তৈরি সহজে হজম হয় এমন পুষ্টিকর খাবার দিন।

৪. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ নয়

নিজে থেকে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক, অতিরিক্ত প্যারাসিটামল বা চোখের ড্রপ ব্যবহার করবেন না। লক্ষণ দেখা মাত্রই নিকটস্থ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আপনার সন্তানকে কি হামের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয়েছে? শিশুর সুরক্ষায় কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিচিত অন্য বাবা-মায়েদেরও সচেতন করুন!



হামের লক্ষণ | শিশুর স্বাস্থ্য | অভিভাবকের করণীয় | স্বাস্থ্য সচেতনতা | Measles Symptoms

Comments